হৃৎপিণ্ড সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন করে পাম্পিংয়ের মাধ্যমে। আবার হৃদপিণ্ডেরও রক্তের প্রয়োজন হয়। হৃৎপিণ্ড নিজে এই রক্ত গ্রহণ করে রক্তনালির মাধ্যমে। সেগুলোকে বলা হয় হার্টের করোনারি রক্তনালি। এই করোনারি রক্তনালিগুলোর মধ্যে যদি কখনো ব্লক হয় বা চর্বি জমে বন্ধ হয়ে যায়, তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়।
বিভিন্ন কারণে হার্ট অ্যাটাক হয়। উচ্চ রক্তচাপ,ডায়াবেটিস, ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর জীবন-যাপন, মানসিক চাপ ইত্যাদি। আবার অনেক সময় রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে করোনারি রক্তনালিতে ব্লক জমে সে জায়গাটা বন্ধ হয়ে যায়।
কিছু লক্ষণ রয়েছে যা জানা থাকলে হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে আগে থেকেই সতর্ক হওয়া যায়। লক্ষণগুলো যদি দীর্ঘদিন বা অন্তত এক মাস ধরে ঘটতে থাকে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। আর সুস্থ জীবন-যাপনের জন্য হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
ফেমিলি হেলথ ফ্রিডম নেটওয়ার্ক জানিয়েছে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার ছয়টি লক্ষণের কথা।
বিভিন্ন কারণে হার্ট অ্যাটাক হয়। উচ্চ রক্তচাপ,ডায়াবেটিস, ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর জীবন-যাপন, মানসিক চাপ ইত্যাদি। আবার অনেক সময় রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে করোনারি রক্তনালিতে ব্লক জমে সে জায়গাটা বন্ধ হয়ে যায়।
কিছু লক্ষণ রয়েছে যা জানা থাকলে হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে আগে থেকেই সতর্ক হওয়া যায়। লক্ষণগুলো যদি দীর্ঘদিন বা অন্তত এক মাস ধরে ঘটতে থাকে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। আর সুস্থ জীবন-যাপনের জন্য হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
ফেমিলি হেলথ ফ্রিডম নেটওয়ার্ক জানিয়েছে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার ছয়টি লক্ষণের কথা।
১.শরীরে ঘেমে যাওয়া এবং মাথা ঘোরানো
ঘাম শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও যদি আপনার মস্তিষ্ক সঠিকভাবে রক্ত চলাচল করতে না পারে, তখন অনেক সময় মাথা ঘোরানো এবং শরীরে ঘাম হতে পারে। কয়েকদিন এগুলো হওয়া মারাত্মক বিপদের লক্ষণ। এ রকম হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
২.বুকে চাপ অনুভব হওয়া
বুকে চাপ অনুভব করা একটি বড় লক্ষণ হার্ট অ্যাটাকের। এই চাপ পরিষ্কারভাবে বলে, খুব কাছাকাছি সময়ের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে আপনার। তবে এর মানে এও নয়, হার্ট অ্যাটক হয়েই গেছে। অনেকেই আছে, যারা এটাকে স্বাভাবিক বলে এড়িয়ে যায়। এ রকম ব্যথায় সতর্ক থাকা জরুরি। ব্যথাকে এড়িয়ে না গিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান।
ঘাম শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও যদি আপনার মস্তিষ্ক সঠিকভাবে রক্ত চলাচল করতে না পারে, তখন অনেক সময় মাথা ঘোরানো এবং শরীরে ঘাম হতে পারে। কয়েকদিন এগুলো হওয়া মারাত্মক বিপদের লক্ষণ। এ রকম হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
২.বুকে চাপ অনুভব হওয়া
বুকে চাপ অনুভব করা একটি বড় লক্ষণ হার্ট অ্যাটাকের। এই চাপ পরিষ্কারভাবে বলে, খুব কাছাকাছি সময়ের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে আপনার। তবে এর মানে এও নয়, হার্ট অ্যাটক হয়েই গেছে। অনেকেই আছে, যারা এটাকে স্বাভাবিক বলে এড়িয়ে যায়। এ রকম ব্যথায় সতর্ক থাকা জরুরি। ব্যথাকে এড়িয়ে না গিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান।
৩.দুর্বলতা
দীর্ঘদিন ধরে দুর্বলতার অনুভূতি হওয়া হার্ট অ্যাটাকের একটি লক্ষণ। আর্টারিগুলো সরু হয়ে যাওয়ায় এ রকম হতে পারে। এর মানে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে হচ্ছে না।
দীর্ঘদিন ধরে দুর্বলতার অনুভূতি হওয়া হার্ট অ্যাটাকের একটি লক্ষণ। আর্টারিগুলো সরু হয়ে যাওয়ায় এ রকম হতে পারে। এর মানে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে হচ্ছে না।
৪.ঠান্ডা এবং ফ্লু হওয়া
অনেক লোকেরই হার্ট অ্যাটাকের আগে ঠান্ডা এবং ফ্লু হয়ে থাকে। এই সমস্যা সহজে সারতে চায় না। এ রকম হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
অনেক লোকেরই হার্ট অ্যাটাকের আগে ঠান্ডা এবং ফ্লু হয়ে থাকে। এই সমস্যা সহজে সারতে চায় না। এ রকম হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৫.অবসাদ
যদি সব সময় অবসাদগ্রস্ত এবং তন্দ্রাভাবে থাকেন তবে হার্টে রক্ত সঞ্চালন কমে যেতে পারে। এর ফলে আর্টারিতে প্লাক তৈরি হতে পারে এবং হার্ট অ্যাটাক ঘটতে পারে।
যদি সব সময় অবসাদগ্রস্ত এবং তন্দ্রাভাবে থাকেন তবে হার্টে রক্ত সঞ্চালন কমে যেতে পারে। এর ফলে আর্টারিতে প্লাক তৈরি হতে পারে এবং হার্ট অ্যাটাক ঘটতে পারে।
৬.স্বল্প শ্বাস
রক্ত সঞ্চালন কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুসফুসও আক্রান্ত হয়। যখন আপনার ফুসফুসে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো না হয়, তখন এটি পর্যাপ্ত পরিমাণ বাতাস গ্রহণ করতে পারে না। এর ফলে শ্বাস ছোট হয়ে আসে এবং শ্বাসকষ্ট হয়। হার্ট অ্যাটাকের একটি অন্যতম কারণ এটি। এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
উল্লিখিত লক্ষণগুলোর মধ্যে কোনো একটি দেখা দিলে, দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। তাই এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণে দেরি করবেন না।
রক্ত সঞ্চালন কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুসফুসও আক্রান্ত হয়। যখন আপনার ফুসফুসে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো না হয়, তখন এটি পর্যাপ্ত পরিমাণ বাতাস গ্রহণ করতে পারে না। এর ফলে শ্বাস ছোট হয়ে আসে এবং শ্বাসকষ্ট হয়। হার্ট অ্যাটাকের একটি অন্যতম কারণ এটি। এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
উল্লিখিত লক্ষণগুলোর মধ্যে কোনো একটি দেখা দিলে, দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। তাই এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণে দেরি করবেন না।

No comments:
Post a Comment