Sunday, November 8, 2015

কীভাবে-বুঝবেন-হার্ট-অ্যাটাক-হবে


হৃৎপিণ্ড সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন করে পাম্পিংয়ের মাধ্যমে। আবার হৃদপিণ্ডেরও রক্তের প্রয়োজন হয়। হৃৎপিণ্ড নিজে এই রক্ত গ্রহণ করে রক্তনালির মাধ্যমে। সেগুলোকে বলা হয় হার্টের করোনারি রক্তনালি। এই করোনারি রক্তনালিগুলোর মধ্যে যদি কখনো ব্লক হয় বা চর্বি জমে বন্ধ হয়ে যায়, তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়।

বিভিন্ন কারণে হার্ট অ্যাটাক হয়। উচ্চ রক্তচাপ,ডায়াবেটিস, ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর জীবন-যাপন, মানসিক চাপ ইত্যাদি। আবার অনেক সময় রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে করোনারি রক্তনালিতে ব্লক জমে সে জায়গাটা বন্ধ হয়ে যায়। 

কিছু লক্ষণ রয়েছে যা জানা থাকলে হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে আগে থেকেই সতর্ক হওয়া যায়। লক্ষণগুলো যদি দীর্ঘদিন বা অন্তত এক মাস ধরে ঘটতে থাকে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। আর সুস্থ জীবন-যাপনের জন্য হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

ফেমিলি হেলথ ফ্রিডম নেটওয়ার্ক জানিয়েছে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার ছয়টি লক্ষণের কথা। 
১.শরীরে ঘেমে যাওয়া এবং মাথা ঘোরানো
ঘাম শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও যদি আপনার মস্তিষ্ক সঠিকভাবে রক্ত চলাচল করতে না পারে, তখন অনেক সময় মাথা ঘোরানো এবং শরীরে ঘাম হতে পারে। কয়েকদিন এগুলো হওয়া মারাত্মক বিপদের লক্ষণ। এ রকম হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।  

২.বুকে চাপ অনুভব হওয়া
বুকে চাপ অনুভব করা একটি বড় লক্ষণ হার্ট অ্যাটাকের। এই চাপ পরিষ্কারভাবে বলে, খুব কাছাকাছি সময়ের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে আপনার। তবে এর মানে এও নয়, হার্ট অ্যাটক হয়েই গেছে। অনেকেই আছে, যারা এটাকে স্বাভাবিক বলে এড়িয়ে যায়। এ রকম ব্যথায় সতর্ক থাকা জরুরি। ব্যথাকে এড়িয়ে না গিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান। 
৩.দুর্বলতা
দীর্ঘদিন ধরে দুর্বলতার অনুভূতি হওয়া হার্ট অ্যাটাকের একটি লক্ষণ। আর্টারিগুলো সরু হয়ে যাওয়ায় এ রকম হতে পারে। এর মানে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে হচ্ছে না। 
৪.ঠান্ডা এবং ফ্লু হওয়া
অনেক লোকেরই হার্ট অ্যাটাকের আগে ঠান্ডা এবং ফ্লু হয়ে থাকে। এই সমস্যা সহজে সারতে চায় না। এ রকম হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 
৫.অবসাদ
যদি সব সময় অবসাদগ্রস্ত এবং তন্দ্রাভাবে থাকেন তবে হার্টে রক্ত সঞ্চালন কমে যেতে পারে। এর ফলে আর্টারিতে প্লাক তৈরি হতে পারে এবং হার্ট অ্যাটাক ঘটতে পারে। 
৬.স্বল্প শ্বাস
রক্ত সঞ্চালন কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুসফুসও আক্রান্ত হয়। যখন আপনার ফুসফুসে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো না হয়, তখন এটি পর্যাপ্ত পরিমাণ বাতাস গ্রহণ করতে পারে না। এর ফলে শ্বাস ছোট হয়ে আসে এবং শ্বাসকষ্ট হয়। হার্ট অ্যাটাকের একটি অন্যতম কারণ এটি। এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।  

উল্লিখিত লক্ষণগুলোর মধ্যে কোনো একটি দেখা দিলে, দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। তাই এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণে দেরি করবেন না। 

ছুরি-কীভাবে-ব্যবহার-করবেন

অনেক সময় ভুলভাবে ছুরি ধরার কারণে হাত কেটে যায়। এই ভয়ে অনেকেই ছুরি দিয়ে কোনো কিছু কাটতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। তাই বলে হাত কাটার ভয়ে ছুরি ব্যবহার করবেন না, তা কি হয়? ছুরি ব্যবহারেরও রয়েছে বিশেষ কিছু নিয়ম। এই নিয়ম মেনে চললে কখনই আপনার হাত কাটবে না।
কীভাবে সঠিক উপায়ে ছুরি ব্যবহার করবেন সে সম্বন্ধে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ম্যাশেবল ওয়েবসাইটে। তাই নিজের হাত কাটতে না চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন :
  • ছুরির হাতলের যেখান থেকে ব্লেড শুরু হয় ঠিক সেইখানে শক্ত করে ধরুন।
  • এবার ছুরির ফলার ঠিক মাঝ বরাবর তর্জনী ও বৃদ্ধাঙ্গুল দিয়ে চেপে ধরুন।
  • আপনার ছুরি যদি চওড়ায় কম হয়, তাহলে তর্জনী একটু ভাঁজ করে নিন। না হলে হাত কেটে যেতে পারে।
  • এবার নির্ভয়ে দ্রুত শাক-সবজি, মাছ কাটুন। যত দ্রুতই কাটুন না কেন আপনার হাত কাটবে না।

বন্ধুর বড় বোনের প্রেমে পড়েছিলেন ইমন


চিত্রনায়ক ইমন মডেলিংয়ের মাধ্যমে মিডিয়ায় যাত্রা শুরু করলেও চলচ্চিত্রের নায়ক হিসেবে তিনি এখন বেশ পরিচিত ও দর্শক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। আজ আমরা জানব, সবার প্রিয় এই নায়কের জীবনের উল্লেখযোগ্য প্রথম কিছু ঘটনা।
প্রথম স্কুল
মুগদাপাড়া হায়দার আলী হাই স্কুল।
প্রথম শিক্ষক
কাশেম স্যার। তিনি আমার প্রিয় শিক্ষক ছিলেন। স্যার গণিত শেখাতেন। আমি গণিতে অনেক দুর্বল ছিলাম। স্যারের কাছ থেকেই ভালোভাবে গণিত শিখতে পেরেছিলাম।
প্রথম পড়া বই
গোপাল ভাঁড়ের বই পড়েছি।
প্রথম ক্যামেরার সামনে আসার অভিজ্ঞতা
আমি ২০০৬ সালে প্রথম একটি বিজ্ঞাপনের শুটিং করেছিলাম। ভারতে শুটিং হয়েছিল। আমার এখনো মনে আছে, শট দেওয়ার সময় আমি খুব ঘেমে যাচ্ছিলাম। খুব সহজ শট ছিল, কিন্তু শুধু আমার কারণে শট অনেকবার এনজি হয়েছিল। আমি আসলে একটু নার্ভাস ছিলাম।
প্রথম পারিশ্রমিক
২০০৫ সালে আমি দৈনিক পত্রিকার একটা ফটোশুট করে চার হাজার টাকা পেয়েছিলাম। এটাই ছিল আমার জীবনের প্রথম পারিশ্রমিক। টাকাটা পেয়ে আমি দুই-তিন দিন শুধু গুনেছিলাম। তার পর সেই টাকা দিয়ে আম্মুকে একটা উপহার কিনে দিয়েছিলাম। আর বাকি টাকা দিয়ে আমি আমার জন্য শপিং করেছি।
প্রথম হলে দেখা চলচ্চিত্র
সালমান শাহ অভিনীত চলচ্চিত্র ‘স্বপ্নের ঠিকানা’।
প্রথম অভিনীত চলচ্চিত্র
‘এক বুক ভালোবাসা’।
প্রথম বিএফডিসিতে আসার গল্প
চলচ্চিত্রের জন্য বিএফডিসি অনেক বিশাল কিছু। আমার সব সময় এখানে আসার জন্য মন চাইত। প্রথম বিএফডিসিতে এসেছিলাম ‘এক বুক ভালোবাসা’ চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের জন্য। এত মানুষ একসঙ্গে দেখে আমি ভড়কে গিয়েছিলাম। কিন্তু সবাই আমার অনেক দেখাশোনা করেছিলেন। কেউ আমার চুল ঠিক করে দিয়েছিলেন, কেউ বা আমার পোশাক। সবাই আমাকে হিরো হিরো বলেও ডাকছিলেন। আজও সবার সেই ভালোবাসার কথা আমার মনে আছে।
প্রথম প্রেম
আমার বন্ধুর বড় বোন। আপুর প্রতি আমি ক্র্যাশ খেয়েছিলাম। কিন্তু কথাটা তাঁকে কোনো দিন বলতে পারিনি।

মৃত ব্যক্তির নামে কোরআন খতম কিংবা চল্লিশা করা যাবে কি?

আমাদের সমাজে একটা রীতি প্রচলিত রয়েছে সেটা হলো- কোন ব্যক্তি যদি মারা যায়, তাহরের মারা যাওয়ার সাত দিনের পর অথবা মারা যাওয়ার পর প্রথম শুক্রবার আল কোরআনের হাফেজদের ডেকে কোরআন খতম করানো। এছাড়া মৃত্যুর চল্লিশ দিনের মাথায় বিশাল মজলিশের মাধ্যমে মেজবানের আয়োজন করা হয়। ইসলামে মূলত এগুলো জায়েজ আছে কিনা জানতে হলে নিচের বর্ণনাটি পড়ুন।
মেজবান বলতে বোঝায় মানুষকে খাওয়ানো। লোকদের খাওয়ানো একটি ভালো কাজ। বুখারি শরিফের মধ্যে রাসুল (সা.) বলেছেন, এটি একটি আফতারুল ইসলাম, ইসলামের মধ্যে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ কাজ। সুতরাং আপনি লোকদের খাওয়াইতে পারেন; কিন্তু সেখানে আনুষ্ঠানিকতা চার দিনে, ১০ দিনে, চল্লিশা ইত্যাদি করেন তাহলে আপনি সুন্নাহ পরিপন্থী কাজ করলেন। সে ক্ষেত্রে সওয়াব তো দূরের কথা, বেদাত হওয়ার কারণে আপনি বড় ধরনের কবিরা গুনাহর মধ্যে লিপ্ত হয়ে গেলেন। সুতরাং এ ধরনের কাজ করবেন না, তাহলে আমলও নষ্ট হয়ে যেতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একাধিক হাদিস দ্বারা এই ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তাই মেজবান বা চল্লিশা এ জাতীয় নাম না দিয়ে আপনি যেকোনো দিন আপনার সুবিধামতো আত্মীয়স্বজন বা গরিবদের খাওয়াতে পারেন, মৃত ব্যক্তিদের জন্য দোয়া করতে পারেন।
এরপর কোরআন খতম আপনি নিজে করবেন। কোরআন খতম করে মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করবেন। মৃত ব্যক্তির জন্য কোরআন খতম করার বিষয়টি রাসুলুল্লাহ (সা.) অথবা সাহাবিদের আমল দ্বারা সাব্যস্ত হয়নি। এটাও আমরা নিজেরাই আবিষ্কার করে নিয়েছি।

চমক-নিয়েই-ফিরছে-নতুন-নোকিয়া-১১০০

একসময় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশে নোকিয়া ১১০০ মডেলের ফোনটি সাধারণ মানুষের যোগাযোগের অন্যতম অনুসঙ্গ হয়ে ওঠে।

এইতো সেদিন এলো অ্যান্ড্রয়েড ফোন। আর আইফোন তো একেবারেই নতুন সংস্করণ। কিন্তু তার আগে ফিচার ফোনের আমলে সবচে জনপ্রিয় এবং বেশি বিক্রি হওয়া ফোনটি নোকিয়ার। এই ফোনটির মডেল নোকিয়া ১১০০।

আজ পর্যন্ত কোন ফোনই নোকিয়া ১১০০ এর জনপ্রিয়তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। নোকিয়া ১১০০ মডেলের ফোনটি প্রথম পাঁচ বছরেই বিক্রি হয়েছিলো ২৫ কোটি ইউনিটেরও বেশি।

সহজেই হাতের মুঠোয় ধরা যেতো এটি। ছিলো টর্চ লাইট, সফট কিবোর্ড এবং মনোফোনিক রিংটোন। অন্যদিকে ফোনটির দামও ছিলো হাতের নাগালে।

নোকিয়া ১১০০ মোবাইল যুগের শুরুর দিকের ফিচার ফোন। ফোনটি প্রথম বাজারে আসে ২০০৩ সালে। ২০০৯ সাল পর্যন্ত নোকিয়া এই ফোনটি উৎপাদন ও বাজারজাত করে।

বেশ কিছুদিন ধরে শোনা যাচ্ছে আবারও নাকি ফিরছে নকিয়া ১১০০। এই ফোনটি তবে এখন আর ফিচার্ড নয় অ্যানড্রয়েডের হাত ধরে স্মার্ট হয়ে বাজারে আসবে। এতে থাকবে ১.৩ গিগাহার্টজের মিডিয়াটেক প্রসেসর। তবে এজন্য ২০১৬ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

‘সাদা-মনের-মানুষ-ছিলেন-মহসিন-আলী’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমাকে নিয়ে টিপ্পনি কাটায় প্রয়াত মহসিন আলী সাংবাদিকের ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন।’

জাতীয় সংসদে সৈয়দ মহসিন আলীর ওপর আনিত শোক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীকে সাদা মনের মানুষ ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি আমাদের গর্ব ছিলেন। আমি দেখেছি, তিনি কখনো কটু কথা বলেননি। অথচ তার একটি কথায় সাংবাদিকেরা রেগে  গেলেন। ওই সাংবাদিক আমাকে নিয়ে টিপ্পনি কেটেছিলেন বলে তিনি (মহসিন আলী) সহ্য করতে পারেননি। কিন্তু যে সাংবাদিকের ওপর তিনি রেগে গিয়েছিলেন, সেই সাংবাদিক কী বলেছিলেন, তা হয়তো কেউ জানেন না।’


এ সময় মহসিন আলীর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তৃণমূল থেকে ধাপে ধাপে রাজনীতি করে তিনি এই পর্যায়ে এসেছেন। ছাত্রলীগ, যুবলীগ এরপর আওয়ামী লীগ করেছেন। তিন তিন বার পৌরসভার  চেয়ারম্যান ছিলেন, শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। এ রকম একজন ত্যাগী মানুষকে আমি মন্ত্রী করেছিলাম। আমি তাকে ভালোভাবেই চিনি। অনেকেই তার কিছু আচরণে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন।’ 
 
শেখ হাসিনা বলেন, মহসিন আলী অসম্ভব রকমের সংস্কৃতিমনা ছিলেন। তিনি গান গাইতে খুব পছন্দ করতেন। বাংলাদেশ বেতারের নিয়মিত শিল্পী ছিলেন। এই সংসদেও তিনি গান গেয়েছেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলেন এবং আহত হয়েছেন।

উপার্জনের অর্থ তিনি মানুষকে দুহাত ভরে দান করেছেন। এ ছাড়া তিনি স্থানীয় বেশকিছু সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন।

যেসব খাবারে কিডনিতে পাথর হয়

কিডনি আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শরীরের নানা হরমোন তৈরি করা ছাড়া রক্ত শোধন করা, শরীরের যাবতীয় দূষিত পদার্থ রেচন আকারে বের করে দেওয়া ইত্য়াদি কিডনির কাজ। এভাবে আমরা সুস্থ থাকি। জানেন কি, কিডনির সমস্যায় সবচেয়ে প্রথম ধাপ হল কিডনিতে স্টোন। যদি সঠিকভাবে শরীরের ক্ষতিকর টক্সিনগুলিকে না বের করা যায় তাহলে কিডনিতে স্টোন হতে বাধ্য।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিহাইড্রেশন, অত্যধিক মদ্যপান, বংশগত ধারা, অত্যধিক ওজন ও বেঠিক খাদ্যগ্রহণের ফলে কিডনিতে স্টোন হয়। একবার কিডনিতে স্টোন হলে তা যেমন বেদনাদায়ক, তেমনই মূত্রথলির নলি আটকে দিয়ে মূত্রত্যাগেও নানাবিধ অসুবিধার সৃষ্টি হয়। অগত্যা অপারেশন করা ছাড়া উপায় থাকে না। নিচের দেখে নিন, কিডনির স্টোন থেকে বাঁচতে চাইলে কি কি খাবারকে নিজের খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।

লাল গোশত : গরু বা খাসির গোশথ  হোক অথবা , হ্যাম ইত্যাদিতে প্রচুর বেশি পরিমাণে প্রোটিন থাকে যা শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে কিডনি স্টোনের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে।
কার্বোনেটেড পানীয় :  বাজারচলতি নানা ধরনের কার্বোনেটেড পানীয় কিডনি স্টোনের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে। এতে থাকে ফসফরিক অ্যাসিড যা স্টোন তৈরির পাশাপাশি নানা ধরনের কিডনির সমস্যা তৈরি করে।
রিফাইন কার্বোহাইড্রেট :  বেশি পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার যেমন চাল অথবা চিনি, ময়দা ইত্যাদি কিডনির জন্য ভালো নয়। এতে কিডনির স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
কফি : বেশিমাত্রায় কফি খেলেও কিডনির ক্ষতি হয়। তাছাড়া কফি বেশি খেলে শরীরে ডিহাইড্রেশন হয় যা কিডনি স্টোন হওয়ার অন্যতম কারণ।

কৃত্তিম মিষ্টিবর্ধক :  কৃত্তিম মিষ্টিবর্ধক বড়ি নিয়মিত খাওয়া উচিত নয়। এতেও কিডনি স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

অ্যালকোহল : অত্যধিক মদ্যপান লিভারের পাশাপাশি কিডনিরও ব্যাপক ক্ষতি করে। এর ফলেও ডিহাইড্রেশন হয় যা কিডনিকে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে।

লবণ : লবণে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম যা রক্তচাপ ও হার্টের অসুখকে বাড়িয়ে তোলে। এছাড়া কিডনিতে স্টোন তৈরিতেও লবণের ভূমিকা দেখা যায়।